জোগো বনিতো: দুলে চলা এক সভ্যতার রূপকথা
—অনিশ রায়— তারা একে খেলল—আর আমরা বুঝলাম,শরীর কেবল বর্তমান নয়,স্মৃতি-ভাণ্ডারের সজীব ভাণ্ড। তারা একে খেলল—আর ছন্দ মিলে গেল,যুক্তির পথ সোজা […]
—অনিশ রায়— তারা একে খেলল—আর আমরা বুঝলাম,শরীর কেবল বর্তমান নয়,স্মৃতি-ভাণ্ডারের সজীব ভাণ্ড। তারা একে খেলল—আর ছন্দ মিলে গেল,যুক্তির পথ সোজা […]
অনিশ রায় একদিন দেখলামআমার শরীরের উপর ঝুঁকে আছে কয়েকটি বিচিত্র আলোর মুখ। তারা ডাক্তার নয়,ঈশ্বরও নয়,তবু তাদের হাতে ছিল সংখ্যার
অনিশ রায় আমরা আসলে কেউ কথা বলছি না।অনেকদিন হলো শব্দেরাতাদের অর্থ হারিয়ে ফেলেছে—শুধু মুখের কাছে এসেমৃতপ্রায় মাছির মতো ভনভন করে
অনিশ রায় জলের কাছে যেয়ো না—সে তোমাকে ভীষণ আপন বলে ভুল করে।তোমার পায়ের কাছে নত হয়েনির্জন কান্নার মতো কেঁপে উঠতে
অনিশ রায় বিষ আমার জীবনদায়ী ঔষধ—তাই ছোবলআমার কাছে চির-অতৃপ্ত চুম্বনের আস্বাদ। স্নায়ু থেকে রক্তে,রক্ত থেকে আরও গভীর কোনো গোপন অন্ধকারেসব তীব্র
অনিশ রায় ভুল ছিল, ওই পাহাড়ের গায়ে যেটা মন্দির ভেবেছিলাম তা আসলে একটা ঘর, যেখানে মূর্তি থাকে। ভুল ছিল, যে
অনিশ রায় দাঁড়ালে এসে সামনে আমার সকল দিক থেকে দেখব বলেই দেখে ফেললাম চোখজোড়া ওই রেখে এলেই যখন আমার পথ
অনিশ রায় নগরের কোলাহলে বসে সিদ্ধাচার্য একা ভাবেন,স্ক্রিনের আলোয় জ্বলে নতুন সন্ধ্যাভাষা।ডাটার নদী বয়ে যায় অন্তহীন কোড-গঙ্গায়,তবু মন চায় নীরব
অনিশ রায় নদীর কাছে গিয়েছিলে জল দেখতে নয়,জলের নিচে যে আরেক নদী থাকেতার গোপন ধারা ছুঁতে। মানুষের দিকে তাকিয়েছিলে কি