বিদ্যাসাগর ও মধুসূদন : বৈপরীত্যের অন্তর্গত আত্মীয়তা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ‘বিদ্যাসাগর ও মধুসূদন : বৈপরীত্যের রহস্য’ নামক প্রবন্ধ কোনোভাবেই দুই মনীষীর সম্পর্কের ইতিহাস নয়। গভীরতর অর্থে এই লেখার […]
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ‘বিদ্যাসাগর ও মধুসূদন : বৈপরীত্যের রহস্য’ নামক প্রবন্ধ কোনোভাবেই দুই মনীষীর সম্পর্কের ইতিহাস নয়। গভীরতর অর্থে এই লেখার […]
জ্ঞান, ক্ষমতা, নজরদারি ও প্রশ্নের কথকতা অনিশ রায় ক্ষমতা সব ধরনের মানুষকে নিয়ে সবসময় চিন্তিত থাকে না, ভয়ও পায় না।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র-রাজনীতি ও অন্যান্য অনিশ রায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে যখন রাজনৈতিক ভাষায় উচ্চারিত হয়—‘বিকৃতকামা’, ‘বিকৃতমনা’, ‘বিকটদর্শন’, ‘বিপথগামীরা
শিক্ষক দিবস পালন এবার থেকে বাদই থাক। কথাটি অসংযত শোনাক, ইচ্ছাকৃতভাবেই চাইলাম। কারণ কখনও কখনও কোনো সমাজের গভীর অসংগতিকে বোঝাতে
অনিশ রায় আজকাল বাংলা সাংস্কৃতিক বাজারে একটা কথা খুবই প্রচলিত, এমনকি মেধাজীবী সৃষ্টিশীল মানুষজনের মধ্যেও এ বিষয়ে ইতিবাচক সমর্থন লক্ষ
অনিশ রায় চলচ্চিত্র শেষ হয়ে যাওয়ার পরও শেষ হয় না। ছবির ভিতরে যে সময়টি চলেছিল, তা আমাদের ভিতরে চলতেই থাকে।
শুধু টাকাওয়ালা মধ্যবিত্তের, টাকার ম্যাজিক রিয়ালিজমে আস্থাশীল মধ্যবিত্তের, নির্ভরযোগ্য ভরসাস্থল যে এইসব প্রতিষ্ঠান…(যেখানে গঠন-পঠন-পাঠন সবদিকের মোক্ষই ব্যবসায়ীবৃত্তি)। যে শ্রেণিগত রিয়ালিটি
কলমে – অনিশ রায় ‘রুগ্ন কবির চিঠি’ কথাটা প্রথমেই বিশেষ একপ্রকার প্রত্যাশা তৈরি করে। ‘রুগ্ন’—অর্থাৎ ক্ষয়, অসুস্থতা, গ্লানি, ব্যর্থতা, শারীরিক বিপর্যয়;
(১)মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসকে যদি একটি-মাত্র প্রশ্নে সংকুচিত করা যায়, তবে সেই প্রশ্নটি সম্ভবত এই যে—মানুষ কীভাবে তার অভাবকে সংগঠিত করে?
“যদি একদিন ক্রিকেট নিজেই মানুষ হয়ে জন্মাত, তবে তার নাম হতো সম্ভবত গারফিল্ড সোবার্স।” কারণ ক্রিকেট কখনও শুধু ব্যাটিং হতে