ব্রাজিল ও জোগা বনিতো| পর্ব-৮

১৯৯৪: রোমারিও-বেবেতো, দুঙ্গা এবং ব্রাজিলীয় দেহের ঐতিহ্যমুখী নবায়ন

নব্বইয়ের দশকের শুরুতে পৃথিবী দ্রুত বদলে যাচ্ছিল। বিশ্বায়ন তখন আর শুধু অর্থনীতির ভাষা নয়; সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, যোগাযোগ এবং খেলাধুলারও নতুন ব্যাকরণ হয়ে উঠেছিল। ইউরোপীয় ক্লাবগুলো ফুটবল-পুঁজির শক্তিতে নতুন যুগে ইতিমধ্যে প্রবেশ করেছে। টেলিভিশনের বিস্তার, আন্তর্জাতিক সম্প্রচার, স্পনসরশিপ, খেলোয়াড়-বাজারের উন্মুক্ততা এবং ক্রীড়া-প্রযুক্তির অগ্রগতি ফুটবলকে ক্রমশ শিল্প ও জাতিগত পরিচয়ের চেয়েও এক বৈশ্বিক বাণিজ্যে রূপান্তরিত করতে শুরু করেছে। মাঠের ভেতরেও তার অভিঘাত স্পষ্ট হয়ে ওঠে— গতি বাড়ছে, জায়গা কমছে, প্রেসিং তীব্র হচ্ছে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সংকুচিত হচ্ছে। ফলে শিল্পকে আর শুধু প্রকাশের ভাষা হিসেবে নয়, টিকে থাকার কৌশল হিসেবেও নিজেকে পুনর্গঠন করতে হচ্ছে।

এই নতুন বিশ্বের মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিলও। কিন্তু তার সংকট অন্যদের থেকে অনেক বেশি ছিল। তাকে শুধু আধুনিক হতে হয়নি; একই সঙ্গে নিজের স্মৃতি, নিজের দেহ-ঐতিহ্য এবং ‘জোগা বনিতো’-র শিল্পদর্শনও বাঁচিয়ে রাখতে হয়েছে। যা একপ্রকার অসম্ভবকে সম্ভব করার দায় কাঁধে তুলে নেওয়া। তাই তো ইউরোপীয় বাস্তববাদকে অনুকরণ করে নয়, বরং তাকে ব্রাজিলীয় শরীরের ভেতরে আত্মস্থ করে নতুনভাবে রূপ দেওয়ার প্রয়াস শুরু করতে হয়েছে। এই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপট না-বুঝলে ১৯৯৪ সালের ব্রাজিলকে বোঝা যায় না।

১৯৮২-র পর ব্রাজিলীয় ফুটবল হঠাৎ করে খানিকটা চুপ হয়ে গিয়েছিল— বিষয়টা এমন নয়। আসলে তার ভাষা বদলাতে শুরু করেছিল। আগের মতো করে কথা বললে যে আর শ্রুতিময় হবে না, এই বোধটা ধীরে ধীরে শরীরী চেতনায় ঢুকে পড়েছিল। ঢুকে পড়েছিল মাঠে। গ্যালারিতে। ড্রেসিংরুমে। সৌন্দর্য নিয়ে আবার সন্দেহ জন্মেছিল— কিন্তু সৌন্দর্যের প্রয়োজন নিয়ে নয়, তার পদ্ধতি নিয়ে। স্কিল কি এখনও সমাধান, না কি স্কিলই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে? আবার এই দ্বিধা থেকে অন্য কিছু সন্ধান শুরু হয়। ১৯৮৬-এর পর ব্রাজিল ধীরে ধীরে বদলায়। বিশ্বকাপ জেতার চাপ বাড়ে। কোচিংয়ে ঢোকে ইউরোপীয় বাস্তববাদ। প্রশ্নটা আর সৌন্দর্য বনাম কুৎসিতের বা প্রয়োজনের থাকে না; প্রশ্নটা দাঁড়ায়, কীভাবে সৌন্দর্য টিকে থাকবে? ফলাফলের ভেতরেও টিকে থাকবে? এই পর্যায়ে ব্রাজিল বুঝতে শেখে— ‘জোগো বনিতো’ বাঁচাতে হলে ‘জোগা বনিতো’কে অভিযোজিত হতে হবে। এই প্রশ্ন ও ভাবনার ভেতর দিয়েই নব্বইয়ের দশকে ব্রাজিল প্রবেশ করে।

১৯৭০-এর পর থেকে ব্রাজিলীয় ফুটবল নিজের স্মৃতির ভার বহন করছিল। সেই স্মৃতি আনন্দের, কিন্তু সেই আনন্দ ছিল শর্তসাপেক্ষ।  ১৯৮২ সেই শর্ত ভেঙে দিয়েছিল। সুন্দর খেলে হারার যন্ত্রণা আলাদা। সেই যন্ত্রণা আত্মসম্মানে লাগে, দেহে লাগে। দেহ তখন আর আগের মতো ঝুঁকি নিতে চায় না। সে সাবধানী হতে শেখে। এই সাবধানতা কোনো প্রচল-তত্ত্বের ফল নয়; সময়-অভিজ্ঞতার ফল। এই অভিজ্ঞতা থেকেই ‘১৯৯০’-র বাস্তবতার গর্ভে জন্ম নেয় ‘১৯৯৪’।

১৯৯৪-কে অনেকেই বলেন সবচেয়ে কম সুন্দর ব্রাজিল। এই মন্তব্যটা যত সহজ, ততই অসম্পূর্ণ। কারণ এতে ধরে নেওয়া হয়— সৌন্দর্য মানেই দৃশ্যমান ঝুঁকি, মানেই গিঙ্গা, মানেই প্রতিটি মুহূর্তে কিছু করে দেখানো। কিন্তু ব্রাজিলীয় ফুটবলের সৌন্দর্য সবসময় এমন ছিল না। তার ভেতরে আরেকটি স্তর ছিল— সংযমের সৌন্দর্য। ‘১৯৯৪’ সেই স্তরটাকেই আবার সামনে আনে। এই দলটি মাঠে নামত, ঘোষিত মানপত্র ছাড়াই। তাদের খেলায় ছিল না অতিরিক্ত আবেগের ঢেউ। তারা খেলত এমনভাবে, যেন জানে— এই বিশ্বকাপটা আগে বাঁচাতে হবে, তারপর জিততে হবে। এই বাঁচিয়ে রাখার দায়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্রাজিলীয় ফুটবলের জন্য বিশ্বকাপ শুধু ট্রফি নয়; তার পরিচয়ের জায়গা। সেই পরিচয় ১৯৮২-র পর নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল।

আর এই অবস্থার মাঝখানেই দুঙ্গা অবস্থান করলেন। দুঙ্গা কোনো রোমান্টিক চরিত্র নন। তাঁর খেলায় নেই গ্যারিঞ্চার হাসি, নেই পেলের নীরব ভারসাম্য, নেই সক্রেটিসের শ্লথ গতির চোরাস্রোত। দুঙ্গা ছিলেন প্রয়োজনের অবিচল লয়। তিনি ছিলেন সেই মানুষ, যিনি খেলার আবেগকে কথা বলতে দিতেন না, আবার মরে যেতেও দিতেন না। তাঁর উপস্থিতি ব্রাজিলীয় ফুটবলের জন্য সেই-অর্থে অস্বস্তিকর ছিল, কারণ তিনি আয়না দেখাতেন। এই আয়নায় ব্রাজিলকে দেখাতেন— সবসময় স্কিলের আনন্দে নাচলে দৃঢ়তায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা যায় না। দুঙ্গার সবচেয়ে বড়ো কাজ ছিল খেলার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। কখন খেলা ধীর হবে, কখন থামবে, কখন ঝুঁকি না-নেওয়াই শ্রেয়, কখন এরিয়াল-বল কার্যকরী, কখন টাফ মার্কিং চাই, কখন চেরা বলে ফাইনাল-থার্ডে গতি বাড়িয়ে দিতে হবে, কখন মাঠের কোন দিক ফাঁকা করে দিতে হবে— এইসব অনেক সিদ্ধান্ত তিনিই নিতেন। একাই নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় নিজেকে ফুল-টাইম নিয়োজিত রাখতেন। এই সিদ্ধান্তগুলো যদিও সাধারণ চোখে ধরা পড়ে না (দর্শক শুধু এটুকু অনুভব করত যে, তার ফুসফুসে অক্সিজেনের চলাফেরাই যেন অন্যরকম)। কিন্তু এগুলো ছাড়া ‘১৯৯৪’ সম্ভব ছিল না। অর্থাৎ এখানে তার খেলার সৌন্দর্য ছিল অনুচ্চারিত। এই অনুচ্চারিত সৌন্দর্যই সবচেয়ে কঠিন।

রোমারিও এই অভিযোজনের প্রতীক। আর সেই দলের সবচেয়ে ভুল মানুষও রোমারিও। কারণ আমরা এখনও স্কিলকে দৃশ্যমানতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলি। রোমারিওর খেলায় তেমন কিছু ‘দেখার’ নেই— এই অভিযোগ বহুবার উঠেছে। কারণ তিনি ড্রিবলের প্রদর্শনী করেন না; অথচ এই অভিযোগটাই তাঁর শক্তি বোঝার পথে প্রধান বাধা। রোমারিও ছিলেন ক্ষুদ্র জায়গার মানুষ। তিনি বড়ো জায়গায় খেলতেন না। তিনি জায়গা খুঁজতেন না বা বানাতেন না। তিনি জায়গা বা স্পেস চুরি করতেন। চুরিটা আবার কোনো নাটকীয়তায় নয়। ঘটে চোখের সামনে, কিন্তু দৃষ্টির আড়ালে। একজন ডিফেন্ডার এক সেকেন্ড অন্যমনস্ক হলেই কেল্লা ফতে। এই এক সেকেন্ড-ই রোমারিওর বিরাট শিল্পের জন্ম-মুহূর্ত। তাঁর স্কিল ঠাসা ছিল চকিত সিদ্ধান্তে। বক্সের ভেতরে এক স্পর্শে গোল— যা দেখলে মনে হবে নিখুঁত বাস্তববাদ, তবু গভীরভাবে ব্রাজিলীয়। কারণ তা তখনও দেহের ঐতিহ্য-বুদ্ধির উপর নির্ভরশীল। রোমারিও দেখালেন— সৌন্দর্য মানে সবসময় দৃশ্যমান ট্রিক নয়; কখনো কখনো সৌন্দর্য হলো এই অদৃশ্য সিদ্ধান্ত। কখন শট, কখন টাচ, কখন হঠাৎ থেমে থাকা— এই সময়জ্ঞানই তাঁকে শ্রেষ্ঠদের মধ্যেও স্বতন্ত্র করে রাখে।

রোমারিওর খেলায় গিঙ্গা নেই— কথাটা সত্য, কিন্তু অর্ধসত্য। গিঙ্গা নেই তার বহিরঙ্গে, কিন্তু আছে তার স্মৃতিতে, তার স্নায়ুতে। সেই স্মৃতি তাঁকে জানায় কখন শরীর নড়বে না। এই না-নড়াটাই আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত হয়ে ওঠে। কারণ এখানে সবাই নড়ছে। যে থামে, সে আলাদা হয়ে যায়। রোবোটিক গতির ইউরোপীয় ঘরানার বিজয়কালে রোমারিও-ই শিল্প-ফুটবলের পক্ষে প্রথম বিপ্লবী। তিনিই দেখিয়েছিলেন ইউরোপীয় চূড়ান্ত-গতির ভিতরে কী-করে অবসর আবিষ্কার করে ইউরোপীয় ঘরানাকে স্তম্ভিত করে দিতে হয়; আর তাদের আড়ম্বরের অসারতাকেও উলঙ্গ করে দেওয়া যায়।  

রোমারিওর থেমে যাওয়ার সঙ্গে বিশেষ দোলায় যুক্ত ছিলেন বেবেতো। বেবেতো সেভাবে বিশাল তারকা নন। তিনি সংযোগ। রোমারিও, দুঙ্গা ও দলের বাকি অংশের মাঝে সেতু। বেবেতো রোমারিওর ছায়া নন; তিনি তার পরিপূরক। তাঁর খেলায় তেমন বিস্ময় ছিল না, ছিল অভাবিত বোঝাপড়া। এই বোঝাপড়াই রোমারিও-বেবেতো যুগলকে কার্যকর করে ও চিরস্মরণীয় করে রাখে। ১৯৯৪-এর ব্রাজিল ব্যক্তিগত শিল্পে যতটা ভর করে জিতেছে; তার থেকে অনেক বেশি বোঝাপড়ায় জিতেছে।

এই বোঝাপড়া ইউরোপীয় বাস্তববাদের নকল তো নয়ই, বরং তার প্রতিস্পর্ধী অবস্থান। বলা যায়, এই বোঝাপড়াও  ব্রাজিলীয় ইতিহাসের বাস্তবতা থেকে উঠে আসা। বিশ্ব ফুটবল তখন টোটালি বদলে যাচ্ছিল। প্রেসিং বাড়ছে, গতির জয়গান হচ্ছে, শক্তির দাপট বাড়ছে, খেলোয়াড়ের বিচরণযোগ্য মাঠ ছোটো হচ্ছে, বল ধরে রাখার সময় কমছে। এই বাস্তবতায় আগের মতো খেলা মানে আত্মঘাতী হওয়া। ‘১৯৯৪’ এই আত্মঘাত থেকে সরে আসে।

এখানে আবেগ নেই— এই কথাটা চূড়ান্ত ভুল। আবেগ তীব্র ছিল, কিন্তু তা ছিল আড়াল করা। বেবেতো অফ-দ্য-বল মুভমেন্ট, সেকেন্ড স্ট্রাইকারের বুদ্ধি— এসবের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন আবেগের প্রকাশ। ১৯৯৪-এর বিখ্যাত উদযাপন দেখাল— ব্রাজিলীয় ফুটবল অনুভূতি বা আবেগ লুকোতে শেখেনি। জন্মসূত্রে শেখে না। গোলের পর এমন উদযাপনেই সেই আবেগ বেরিয়ে এসেছে। শিশুকে কোলে নিয়ে দোলানোর ভঙ্গি— এ তো কোনো স্ক্রিপ্টেড কোরিওগ্রাফি নয়। আসলে তা দুই দশকের রুদ্ধ থাকা শ্বাস ছাড়ার মুহূর্ত। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা চাপ সেই এক মুহূর্তে যেন মুক্তি পায়। যেন বিশ্ব-ফুটবলে নতুন শিল্প-দোলার জন্ম দেওয়া মাতৃ-উচ্ছ্বাস।

এইখানেই জোগা বনিতোর নতুন অর্থ তৈরি হয়। জোগা বনিতোর আর এই মানে হবে না যে— সবসময় ঝুঁকি নাও। এখন এর মানে হবে— ঝুঁকি নেওয়ার অধিকার নিজের কাছে রাখো। কখন নেবে, কখন নেবে না— এই সিদ্ধান্তটাই শিল্প। এবং এই জোগা বনিতো আরও বলে— সুন্দরভাবে খেলো, এবং মানুষ হিসেবেও সুন্দর থাকো। এই ভাবনাজাত সিদ্ধান্তের শিল্প তো দৃশ্যমান হয় না, তা অনুভূত হয়। কিন্তু শিল্প আর শিল্পী কখনো সুপ্ত ও গোপন থাকতে পারে না। নির্ঝরের মতো ভয়ংকর প্রপাতধ্বনি জাগিয়ে তা দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। আর সেটাও ঘটেছিল ১৯৯৪ সালে। যখন রোনাল্ডো নাজারিও বিশ্বমঞ্চে এসে দাঁড়ালেন। সে কথা পরের পর্বের জন্য তোলা থাক।

যাইহোক, একথা মানতেই হয়, ‘১৯৯৪’ কোনো বিশ্বাসঘাতকতা নয়। ‘১৯৯৪’ আত্মরক্ষার ঐতিহ্যমুখী নবায়ন। সৌন্দর্যকে বাঁচানোর জন্য সৌন্দর্যকে একটু আড়ালে রাখা। এই কাজটা কঠিন, কারণ দর্শক সবসময় দৃশ্যমান সৌন্দর্য চায়। কিন্তু ইতিহাস সবসময় তো জনতা বা দর্শকের অভিমুখে চলে না। ইতিহাস তার নিজের আলোর দিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখে, ইতিহাসের সেই আলোর মধ্যে নিজেকে যে নিজস্বতায় জাগিয়ে রাখে, সেই যুগস্রষ্টা হয়ে ওঠে। আর তার যথার্থ বিচার হয় ইতিহাসের সেই কালবেলা কেটে গেলেই।

১৯৯৪-এর আত্মরক্ষা ছাড়া ‘২০০২’ সম্ভব হতো না। কারণ ‘১৯৯৪’ ব্রাজিলকে আবার জিততে শেখায়। জেতার কৌশল তৈরি যে অপরাধ নয়, এই বোধটা ফিরিয়ে আনে। ‘১৯৭০’ জিতেছিল আনন্দ দিয়ে, ‘১৯৯৪’ জিতল সংযমের প্রতি মুক্ত দৃষ্টি রেখে। এই দুইয়ের মধ্যে স্বতত কোনো দ্বন্দ্ব নেই। এরা একই দেহের দুই সহযোগী অঙ্গ-বিন্যাস।

১৯৯৪-এর সবচেয়ে বড়ো অবদান বিশ্বকাপ, কিন্তু একমাত্র বিশ্বকাপ-ই নয়। তার অবদান এই যে— এর ফলে ব্রাজিলীয় ফুটবল আবার নিজের সঙ্গে কথা বলার সময় পেল। সেই কথা এবার হবে একটু ধীরে, একান্তে, স্বগতোক্তির মতো। কিন্তু গভীর। যে গভীরতার ভেতরেই পরবর্তী বিস্ফোরণের বীজ জমে থাকবে। যে বিস্ফোরণ আর আগের মতো হবে না। হবে আদ্যন্ত আধুনিক। গতি থাকবে, শক্তি থাকবে, বাজার থাকবে; কিন্তু প্রশ্নও রেখে যাবে— এই দেহ নিজের স্মৃতি বহন করতে পারবে তো? করতে চাইবে তো? স্কিলকে শিল্পের বহুমাত্রায় আঁকড়ে থাকবে তো?

এই প্রশ্নের মুখ থেকেই শুরু হবে পরবর্তী পর্ব।

(চলবে…)

### ড. অনিশ রায়

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top