বাংলা প্রবাদ-প্রবচন – ২
দ্বিতীয় বৃহৎ খণ্ড ৩০০টি নির্বাচিত প্রবাদ, অর্থ ও স্বাভাবিক বাক্যে প্রয়োগ ভূমিকা বাংলা প্রবাদ-প্রবচন কোনো অভিধানের শুকনো শব্দতালিকা নয়। মানুষের
দ্বিতীয় বৃহৎ খণ্ড ৩০০টি নির্বাচিত প্রবাদ, অর্থ ও স্বাভাবিক বাক্যে প্রয়োগ ভূমিকা বাংলা প্রবাদ-প্রবচন কোনো অভিধানের শুকনো শব্দতালিকা নয়। মানুষের
অর্থ, জীবনবোধ ও স্বাভাবিক বাক্যে প্রয়োগের বৃহৎ সংকলন ভূমিকা বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন ও প্রাণবন্ত সম্পদগুলির মধ্যে প্রবাদ-প্রবচন অন্যতম। মানুষের
অর্থ, ব্যঞ্জনা ও বাক্যে স্বাভাবিক প্রয়োগের শ্রেষ্ঠ সংকলন বাগধারা কী বাগধারা হল এমন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ তার প্রত্যেকটি শব্দের আক্ষরিক
অনুচ্ছেদ কী? কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা ভাবকে কেন্দ্র করে পরস্পর-সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি বাক্যে সংক্ষিপ্ত, সুসংবদ্ধ ও অর্থপূর্ণভাবে যে গদ্যরচনা প্রকাশ করা হয়,
১) প্রতিবেদন হবে সহজ, সরল, অনাড়ম্বর, স্বতঃস্ফূর্ত। ২) প্রতিবেদন সর্বসাধারণের বোধগম্য হতে হবে। তাই শব্দচয়ন, বাক্যগঠন ইত্যাদিতে পরিচিত সংস্কারগুলির সাবলীল প্রয়োগ ঘটাতে
১. স্বর্ণডিমের অভিশাপ সংকেত :এক কৃষকের হাঁস প্রতিদিন সোনার ডিম পাড়ত—লোভে পড়ে কৃষক একসঙ্গে সব ডিম পাবার আশায় হাঁসটিকে হত্যা
সূচনা আধুনিক সভ্যতার আকাশে বিজ্ঞান এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো দীপ্তিমান। মানুষের জীবনকে সহজ, গতিশীল এবং সমৃদ্ধ করে তোলার পেছনে বিজ্ঞানের
ভূমিকা “বিজ্ঞান চায় সবার মাঝে প্রাণের কথা বলতে,অন্ধ আবেগ সরিয়ে দিয়ে আলোর পথে চলতে।” মানবসভ্যতার অগ্রগতির ইতিহাসে বিজ্ঞান এমন এক
ভূমিকা বর্তমান যুগকে যথার্থ অর্থেই বিজ্ঞানের যুগ বলা যায়। মানবসভ্যতার দীর্ঘ অভিযাত্রার প্রতিটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়ে বিজ্ঞানের দীপ্ত স্বাক্ষর অঙ্কিত রয়েছে।
যুক্তির দীপশিখা ও অন্ধবিশ্বাসের অন্ধকার মানবসভ্যতার ইতিহাস মূলত অজ্ঞতার অন্ধকার ভেদ করে জ্ঞানের আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার ইতিহাস। আদিম মানুষ